জ্যাম হচ্ছে পুরনো প্রেমিকার মতো: চঞ্চল চৌধুরী

বিনোদন রিপোর্ট: জ্যাম হচ্ছে পুরনো প্রেমিকার মতো। আপনি চাইলেও সে আপনাকে ছাড়বে না। জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে এই মন্তব্য করেছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে গাড়ি ড্রাইভ করছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী আর ছেলে শুদ্ধ স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় গাড়িতে বসেই বই পড়ছে।

জানা যায়, রবিবার (৩১ অক্টোবর) ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার জন্য গাড়ি নিয়ে বের হন চঞ্চল চৌধুরী। তিনি নিজেই ড্রাইভ করছিলেন। কিন্তু রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম ছিলো। সে সময়ে তোলা একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি।

জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী লিখেন, ‘আমরা মানতে মানতে সব কিছুতেই অভ্যস্ত হয়ে যাই। যাকে বলে পরিস্থিতির সংগে খাপ খাইয়ে নেওয়া। হাজার বলাতেও যখন কোনো কাজ হয় না, তখন চুপ হয়ে যাওয়াটাও আমাদের অভ্যাসেরই একটা অংশ হয়ে গেছে। গতকাল থেকে শুদ্ধর বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ট্রাফিক জ্যাম এখন ঢাকা শহরের এক এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঢাকা থাকবেন অথচ জ্যামের সংগে প্রেম হবে না, তা তো হয় না। জ্যাম হচ্ছে পুরোনো প্রেমিকার মতো। আপনি চাইলেও সে আপনাকে ছাড়বে না (আমার বিষয়টা যদিও ভিন্ন)।

অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী আরও লিখেন, ‘গতকাল বাসা থেকে শুদ্ধর স্কুলে যেতে আধা ঘণ্টা সময় লেগেছিলো। আজ লাগলো পুরো দুই ঘণ্টা। আজ শুদ্ধর বাংলা পরীক্ষা। গত ৫০ বছর ধরে বাংলা পরীক্ষায় আমরা বাঙালি জাতি খুব বেশি ভালো রেজাল্ট করতে পারিনি। আসুন, আমরা বাংলায় ভালো করি, বাংলাদেশকে ভালোবাসি।

গতকালও (৩০ অক্টোবর) ছেলে শুদ্ধকে স্কুলে পৌঁছে দিয়েছিলেন চঞ্চল চৌধুরী। ছেলের একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘আজ আমাদের বার্ষিক পরীক্ষা শুরু। জ্যাম থেকে মুক্ত থাকার জন্য বেশ আগেই বাসা থেকে বের হয়েছিলাম। ফলাফল মন্দ নয়, দুই ঘণ্টা আগেই আমরা স্কুলে পৌঁছে গেছি। এখনো গাড়িতে বসে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছি। পরীক্ষাটা শুদ্ধর একার না, আমাদেরও।

ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করে এই অভিনেতা আরও লিখেন, ছোট বেলার কথা মনে পড়ছে। আমরা পরীক্ষার আগে ভোরবেলায় উঠে পড়তাম। ভোরের পড়া না কি মনে থাকে। মা ডেকে জাগিয়ে দিয়ে, পাশে বসে থাকতেন। ঘুমে ঝুলে পড়তাম। মা আবার জাগাতেন। পরীক্ষাগুলো আসলেই শুধু সন্তানদের হয় না, বিশেষ করে মায়েদেরই হয়। মায়েরা জাগলেই সন্তান জাগে।

খবরটি শেয়ার করুন....
© All rights reserved  2021 DesherGarjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
%d bloggers like this: