বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা টোঙ্গার পরিবেশ দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির মুখে পরেছে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছে স্বামী জাবিতে নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে শাবিপ্রবি ভিসির মন্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও কুশপুত্তলিকা দাহ সাটুরিয়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার-১ পূর্বাচলে হারিয়ে যাওয়া দুই যুবককে ৯৯৯ এর কলে উদ্ধার মানিকগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে ডাকাতি!  ফুলপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশু নিহত মানিকগঞ্জে ভুল চিকিৎসা দিয়ে কলেজ ছাত্রকে হত্যার অভিযোগ! সাটুরিয়ায় সাবেক চেয়ারম্যানের ভাই মাদকসহ আটক জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের রূপগঞ্জে গভীর রাতে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে আগুন

ভিক্ষুকের মতো ভিক্ষা চাচ্ছে, এক অসহায় মা, তার সন্তানকে বাঁচাতে, ভিক্ষা দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানবিক আবেদন। দয়া করে কেউ এরিয়ে যাবেন না। আপনার জন্যই হয়ত বেচে যেতে পারে আমার ছেলের জীবনটা।” আপনাদের একটা শেয়ার পারে আমার ছেলেকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে। যার যেমন সামর্থ্য ২০০/ ৩০০/ ৫০০/ ১০০০/ ২০০০/ ৫০০০/ ১০০০০ যেভাবে যত পারেন সাহায্য করুন আমার ছেলের প্রান বাঁচাতে ভাই আপু তোমরা আমার ধর্মের ভাই বোন দয়া করো। আমাদের একমাত্র ছেলে তাহমিদ হাসান।

জন্মের পর থেকে ওর পায়খানা সাদা আর পেটে ফুলা ছিলো, কখনো ভাবিনি অনেক বড় রোগ নিয়ে ও বসে আছে।আমরা পিজি হাসপাতালে ভর্তি হবার পরই এতকিছু জানতে পারি। তখন ওর সাড়ে ১০ মাস বয়স। জুনের ৩০ তারিখে ওকে ঢাকা মেডিকেল ভর্তি করাই আর সেপ্টেম্বর বাসায় নিয়ে আসি। টানা ৩ মাসের ফলাফল হলো আমার তাহমিদের এই মেডিকেল রিপোর্টগুলো (যা নিচে দিয়ে দেয়া হয়েছে)আর এই কয়দিনে ক্যানোলা দিয়ে চালনির মতো ঝাজড়া করে ফেলা হয়েছে তার ছোট্ট কোমল হাত, পা আর মাথাটা।

এই ৩ টা মাসে আমার ছেলে যে কতটা কষ্ট পেয়েছে তা উপরওয়ালা, আমি আর ওর বাবা ছাড়া কেউ জানে না। একটা সময় ঢাকা মেডিকেলের নার্স গুলো বলত ওকে আর ক্যানলা করতে ভাল লাগে না।যদি সম্ভব হত তাহলে ওর জন্য ক্যানোলা আমরা আমাদের হাতেই করে নিতাম। এই ৩ টা মাস আমার ছেলেকে এমন কোন বড় রোগ নাই যে সে ভুগে নাই।

নিমোনিয়া, হার্টের ছিদ্র, বুকে ইনফেকশন, রক্ত শুন্যতা, আর জন্ডিস তো আছেই। যার দরুন তার লিভার এখন ডেমেজের পথে। কখনো নাম ও শুনি নাই যে, বিলিয়ারি এট্রেশিয়া নামক ভয়াল কোন রোগ আছে।আর শেষে তা বাসা বাধল গিয়ে আমার ছোট্ট সন্তানের শরীর শুধু মাত্র ছোট বাচ্চাদের আক্রান্ত করে। পৃথিবীতে এই রোগের আক্রান্ত সংখ্যা খুব কম। ১০-১৫ লাখে ১% বাচ্চার এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। আমার বাচ্চাটা তাদের মধ্যে একজন।

এ রোগে আক্রান্ত শিশুর পেট আস্তে আস্তে ফুলে বড় হবে আর শক্ত হয়ে আসবে,কোনো খাবার ই হজম হবে না, শরীরে বিলুরবিনের পরিমাণ বাড়তে থাকবে যার ফলে শরীর হয়ে উঠবে হলুদাভ, পায়খানার রং থাকবে সাদা অথবা হালকা হলুদ, শরীর দিন দিন শুকিয়ে আসবে। একটা সময় শরীরের সব অর্গান থেকে প্রচুর ব্লিডিং হতে থাকবে আর এভাবেই নিস্তেজ হয়ে আসবে আমার ছেলের জীবন ।তার এতটুকু বয়সে যেখানে তার হাসার কথা, সুন্দর ভাবে বাঁচার কথা। সেখানে সে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে যাচ্ছে তার শরীরের সাথে একটু ভালো থাকতে, একটু সুন্দর ভাবে বাঁচতে।

হাসপাতালে আমার ছেলের টানা ৩ মাস শুধু কান্না করে আর না ঘুমিয়ে কাটিয়েছে। যখন কান্না করতে করতে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ত, তখনই নার্সরা আসত আর ১টা, ২টা,এমনকি ৩টা করেও ইঞ্জেকশন পুশ করত।অসহ্য যন্ত্রণায় সে জেগে যেত। তারপর ডাক্তার আমাদের রিলিজ দিয়ে পিজি (BSMMU)- তে পাঠাল বাবুর লিভারের জন্য কারণ ঢাকা মেডিকেলে লিভারের জন্য আলাদা কোন ডিপার্টমেন্ট নেই। সেখানে শুরু হল আমার ছেলের আরেক যুদ্ধ।

তখন আমার ছেলের অবস্থা অনেকটা অবনতির দিকে পেট ফুলে তার শরীরের ৪ গুন হয়ে গেছে। যা খাবার খাচ্ছে তার একটা দানাও সে পেটে রাখতে পারছে না, জ্বরের তীব্রতা ১০২ কখনো ১০৩। দিন দিন নিস্তেজ হয়ে পড়ছে তার ছোট্ট দেহ। জামাটা খুললে তার শরীরের হাড়গুলো গননা করা যাচ্ছিল। পেটের রগ গুলো ভেসে উঠেছে। ফুলে উঠছে তার নাভি। দিন দিন শরীরের রং হলুদাভ হয়ে যাচ্ছে। চোখ গুলো এত হলুদ ছিল যে মনে হচ্ছে কেউ হলুদ ঢেলে দিয়েছে। ঢাকা মেডিক্যাল এর পর পিজি (BSMMU)- তে তাহমিদের চিকিৎসা চালানোর মত টাকা তাহমিদের বাবার কাছে আর অবশিষ্ট ছিল না।

তাহমিদের বাবা তাহমিদের দুনিয়াতে আসার আগে অথবা পরে কখনোই কোন সেভিংস করে নাই।যে কারনে তার ৪ মাসের বেতন, ফ্যামিলি থেকে সাহায্য আর কিছু ধার-দেনা করে কোনরকমভাবে ২ মাসের চিকিৎসা খরচ চালানো গিয়েছিল ।কিন্তু কপাল অনেক ভাল ছিল যে, আমরা এই খরচের মধ্যে থেকে তাহমিদের কি রোগে আক্রান্ত তা শনাক্ত করতে পারি।

টেস্টের পর টেস্ট করানোর পর আমরা জানতে পারি যে, তাহমিদ বিলিয়ারি এট্রেশিয়া (Biliary Atresia) নামক লিভারের এক ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত। পিজি হাসপাতালের ডাক্তারগন আমাদের বলে দিয়েছিল যে, তাহমিদ লিভার ট্রান্সপালেন্ট করতে পারলে ওর সুস্থ হবার চান্স ৯৭%। কিন্তু এর জন্য ওকে দেশের বাইরে নিয়ে যেতে হবে। পাশের দেশ ইন্ডিয়াতে সবচেয়ে কম খরচে এর চিকিৎসা আছে। কিন্তু লিভার ট্রান্সপ্লান্ট সবচেয়ে জটিল সার্জারি, তাও আবার শিশুর সার্জারি।

এই জন্য ইন্ডিয়ার হসপিটালে বিশাল অংকের টাকা চার্জ করে যেটা প্রায় ৫০-৬০ লক্ষ রুপি যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৬৫-৯০ লক্ষ টাকা।যা আমাদের পক্ষে যোগাড় করা অসম্ভব ব্যাপার। ।যদি আপনারা সবাই আমার তাহমিদের চিকিৎসার জন্য একটু এগিয়ে আসেন তাহলেই আমার ছেলের চিকিৎসা করা সম্ভব হবে।

আপনাদের ছোট্ট একটি অনুদান হতে পারে আমার তাহমিদের জন্য বিশাল কিছু। দয়া করে যে যার জায়গা থেকে আমার তাহমিদের জন্য একটু এগিয়ে আসুন। তাহমিদের জন্য অনুদান পাঠানোর ঠিকানা : বিকাশ একাউন্ট নাম্বার : – পার্সোনাল 01827680279 নগদ একাউন্ট নাম্বার : পার্সোনাল 01827680279 রকেট একাউন্ট নাম্বার: পার্সোনাল 018276802798 ঠিকানা জেলা পঞ্চগড় উপজেলা পঞ্চগড় ইউনিয়ন পঞ্চগড় গড়িনাবাড়ি

খবরটি শেয়ার করুন....
© All rights reserved  2022 DesherGarjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
%d bloggers like this: