বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা টোঙ্গার পরিবেশ দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির মুখে পরেছে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছে স্বামী জাবিতে নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে শাবিপ্রবি ভিসির মন্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও কুশপুত্তলিকা দাহ সাটুরিয়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার-১ পূর্বাচলে হারিয়ে যাওয়া দুই যুবককে ৯৯৯ এর কলে উদ্ধার মানিকগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে ডাকাতি!  ফুলপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশু নিহত মানিকগঞ্জে ভুল চিকিৎসা দিয়ে কলেজ ছাত্রকে হত্যার অভিযোগ! সাটুরিয়ায় সাবেক চেয়ারম্যানের ভাই মাদকসহ আটক জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের রূপগঞ্জে গভীর রাতে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে আগুন

আমাদের বিজয়

কামাল হোসেন: ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রাম শেষে এদিন আমাদের দেশ শত্রুমুক্ত হয়৷ পৃথিবীর মানচিত্রে ‘বাংলাদেশ ডিসেম্বর নামের একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

তাই ১৬ই আমাদের মহান বিজয় দিবস। বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা আর রক্তের বিনিময়ে পেয়েছি আমাদের স্বাধীনতা। স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছে কত ছাত্র, জনতা, কৃষক, শ্রমিক, বুদ্ধিজীবি ও পেশাজীবী মানুষ।

বিজয়ের আনন্দের মাঝে তাই জেগে ওঠে তাদের হারানোর বেদনা। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ৭০-এর সাধারণ নির্বাচন ও ১৯৭১ এর ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আমরা এই ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় লাভ করি।

মহান বিজয় দিবস শুধু জাতীয় মর্যাদায় অভিষিক্ত একটি দিন নয়, এটি বাঙালীর হৃদয় এবং সত্তার গভীরে প্রোথিত একটি অনন্য দিন। বিজয় দিবস স্বাধীনতা-কামী বাঙালীর পবিত্র চেতনার ধারক বাঙালীর হাজার।

বছরের সভ্যতা এবং সংস্কৃতির ইতিহাসে দ্যুতিময় এ মহান বিজয় দিবস চিরদিন ‘সমুজ্জ্বলভাবে টিকে থাকবে। প্রতিবছর এ দিবসে আমরা আত্মসচেতন হই, অন্তরে বিশ্বাস স্থাপন করি-রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এ স্বাধীনতাকে আমরা যে কোনো মূল্যে সমুন্নত রাখব।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে নানা আন্দোলনের মাধ্যমে তা প্রবল আকার ধারন করতে থাকে। অবশেষে বাঙালির স্বাধীকার চেতনা ১৯৫৯ সালে গণ-অভ্যুত্থানের রূপ নেয় বাঙালির স্বাধিকারের ন্যায্য দাবিকে চিরতরে নির্মূল করার জন্য ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পশ্চিমা সামরিক জান্তাবাহিনী বাঙালি-নির্ধনের নিষ্ঠুর খেলায় মেতে ওঠে।

বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে বাঙালিরা রুখে দাঁড়ায়। পরে ওঠে। ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলে। কৃষক-শ্রমিক, ছবি শিক্ষক, ডাক্তার-ইঞ্জিয়ার শিল্পী-সাহিত্যিক, নারী-পুরুষ, হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাইকে নিয়ে গঠিত হয় মুক্তিবাহিনী।

যার যা আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশমাতৃকার মুক্তি সংগ্রামে। সুদীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে চলে। সামরিক জন্মাদনা এ সময় গ্রামে-গঞ্জে, শহরে-বন্দরে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করে নিরীহ জনসাধারণকে ৷

ঘরবাড়ি, দোকান-পাট লুট করে জ্বালিয়ে দেয়। মা-বোনদের ওপর পাশবিক নির্যাতন করে। প্রাণ বাঁচাতে সহায়সম্বলহীন এক কোটি মানুষকে আশ্রয় নিতে হয় প্রতিবেশী দেশ ভারতে। তবে বাঙালি দলে যায় নি।

খবরটি শেয়ার করুন....
© All rights reserved  2022 DesherGarjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
%d bloggers like this: