মানিকগঞ্জে সরকারি হাসপাতালে ডিউটি ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেটে ব্যস্ত ডাক্তার এমদাদুল হক সোনারগাঁয়ে জালিয়াতির মামলায় মোঃ মজিবুর রহমান গ্রেফতার রূপগঞ্জে অবৈধ গ্যাসলাইন বিস্ফোরনে জ্বলসে গেলো ভাড়াটিয়া আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তেল সংকট কেটে যাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ফুলপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাসের এক হেলপার নিহত, আহত শিশু সহ বেশকিছু যাত্রী সোনারগাঁয়ে আরমান হত্যার সাত বছর পেরিয়েও বিচার না পেয়ে সংবাদ সম্মেলন বড়াইগ্রামের পদ্মবিলের সৌন্দর্য নষ্ট করে চলছে পুকুর খনন আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির ভূমিকা থাকবে গুরুত্বপূর্ণ: লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি  দেবরকে গলা টিপেই মে’রে ফেললেন ভাবি! ফুলপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আওয়ামীলীগ নেতা নিহত

বৈধ ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক: এই এক মাস স্নিগ্ধা ভাবির সাথে থেকে অনেক টা ঘরের কাজ শিখে গিয়েছে, বিয়ের আগে যে মেয়েটা মাছ বেছে খেতে পারতো না সে এখন আনাম মাছ কেটে রান্না করতে পারে।। যার সকালে মা কয়েকবার না ডাকা পর্যন্ত ঘুম ভাংতো না, সে এখন সকালে সাবার আগে উঠে সাবার জন্য নাস্তা বানায়। কি আজব ব্যপার তাইনা? বিয়ের পর মেয়েরা হঠাৎ করে কেমন জানি বুঝদার হয়ে যায়? নাকি নিজের নিয়তি কে মেনে নিয়ে জীবন টাকে সহজ করতে চায়।

ভাবি আর স্নিগ্ধা যখন রাতে খাবার তৈরি করতে ব্যস্ত,ব স্নিগ্ধা গিয়ে দরজা খুলে দেখে নিল, নিল স্নিগ্ধাকে এক ধাক্কা দিয়ে ঘরে প্রবেস করলো, নিল:এতো সয়ম লাগে দরজা খুলতে?ব স্নিগ্ধা:কাজ করছিলাম, নিল:কি কাজ?? সারাদিন ঘরে করোটা কি? এখানে কাধের উপরে দাঁড়িয়ে থাকবা? আমি কি এক গ্লাস পানি পাবো? স্নিগ্ধা :জি ঘরের সব কাজ করেও মেয়েদের শুনতে হয় সারাদিন করোটা কি?হায়রে সমাজ। রাতে একি ঘটনা,,আমাদের সমাজে স্নিগ্ধার মতো অনেক মেয়েই আছে যারা প্রতি রাতে এই ভাবে ধর্ষণ হয়,কিন্তু এই ধর্ষকদের কোনো বিচার হয় না কারন তারা সামাজিক ভাবে তার বৈধতা পেয়েছে,,, যার নাম হলো বিয়ে।

আর এর পরিনতি হলো যে মেয়েরা দূর্বল তারা সুইসাইড করছে,কেউ কেউ নিজের মধ্যে সাহস যোগার করে ডিভোর্স নামের শব্দ টার মাধ্যমে নিজেকে এই নরক থেকে বের করে নিয়ে আসছে, আর বেশির ভাগ মেয়েরা নিজের মা-বাবা,সন্তানের কথা ভেবে সহ্য করে নিচ্ছে। ইদানীং তো নিল স্নিগ্ধার উপরে হাত তুলা শুরু করেছে স্নিগ্ধা অনেক বার ওর আম্মুর কাছে নিলের এই কথা গুলো বলেছে। এমনকি ছোট একটা কারনে নিল স্নিগ্ধাকে ঘর থেকে ও বের করে দিয়েছিল, তারপর নিলের মা গিয়ে স্নিগ্ধাকে ওর বাসা থেকে নিয়ে এসেছে, স্নিগ্ধা তার সাথে যেতে চাইছিলো না তাই স্নিগ্ধার আম্মুও তাকে বাধা দেয়, তারফলে তার শুনতে হয়, নিলের মা:কেনো সালেহা মেহেতা আর তোমার বিবাহিক জীবনে কি এমন হতোনা? সাবার হয়।

তাই বলে মেয়েকে ঘরে বসিয়ে রাখবা? আর ভুলোনা তোমার মেয়ে আমার ছেলের বউ তার উপরে এখন আমার অধিকার বেশি। স্নিগ্ধার আম্মু কিছু বলতে যাবে তখন স্নিগ্ধার দাদি বলে উঠলো, দাদি: স্নিগ্ধা এখন ওইটাই তোর বাসা।আর সব মেয়েদেরই কম বেশি সহ্য করতে হয়। স্নিগ্ধা তখন একবিন্দু আসা নিয়ে ওর আম্মুর দিকে তাকিয়ে ছিলো,এই বুঝি আম্মু সবাইকে বলবে যে আমার মেয়ে আমার কাছে থাকবে। কিন্তু স্নিগ্ধার এই আসাটা পূরণ হলোনা।

স্নিগ্ধাকে আবার ওই নরপুশুর কাছে নিয়ে যাওয়া হল। তখন নিলের মুখে ছিলো বিজয়ের হাসি। নিল প্রচুর স্মোক করে, রাতে বেড রুমে ও করে,,স্মোকের স্মেল স্নিগ্ধার একদম সহ্য হয় না।অনেক সাহস করে একদিন নিলকে রুমে স্মোক করতে মানা করেছিলো, যার জন্য তাকে শুনতে হয়েছে, নিল:স্মোক কি তোর বাবার টাকা দিয়ে করি? এটা তোর বাসা না এটা আমার বাসা আর আমার বাসায় আমার যা ইচ্ছা আমি তাই করবো। থাকতে পারলে থাকবি নয়তো গেট খোলা।

মেয়েদের আসল ঠিকানাটা কথায় কারোকি যানা আছে? মেয়েরা মার কাছে গেলে বলে বিয়ের পর স্বামীর ঘর ই তোমার ঘর,কিছু থেকে কিছু হলে স্বামি বলে এটা তোমার না আমার ঘর। তো মেয়েরা যাবে কোথায়? স্নিগ্ধা নিজের শরিলের দাগ গুলো তো শাড়ি দিয়ে ডেকে রাখে, আবার সময়ের সাথে সাথে দাগ গুলো চলে যায়। কিন্তু স্নিগ্ধার মনের মধ্যে যে এমন হাজারো দাগ লেগেছে,ওইগুলো কি করে যাবে? শরিলের দাগের ব্যথা সহ্য করা যায় কিন্তু মনের দাগের ব্যথা তো সহ্য হয়না।

আজ স্নিগ্ধার এসএসসি পরিক্ষার রেজাল্ট দিয়েছে। এক বিষয়ে জন্য গোল্ডেন পায়নি। তাও স্নিগ্ধা খুব খুশি তার থেকে বেশি খুশি হয়েছে ভাবির কথা শুনে, বিয়ের পরেও ভাইয়া ভাবিকে পাড়াশুনা করতে দিচ্ছে, এখন সে অনার্স ৩য় বর্ষে পরছে, তার মানে কি নিল ও ওকে কলেজে পড়তে দিবে। কথাটা স্নিগ্ধা মাকে জিজ্ঞেসা করলে সে বললো নিলকে জিজ্ঞেসা করতে।

নিল ঘাটের উপরে বসে অফিসের কাজ করছে, নিলের মা ওর কাছে গিয়ে বসলো, নিল:মা কিছু বলবা? নিলের মা:স্নিগ্ধা কলেজে ভর্তি হতে চায়। নিল:হোক, কি সমস্য। নিলের মা:কি সমস্য মানে? তোমার ভাবিকে দেখেছো বিয়ের তিন বছর হয়েছে এই পড়াশুনার চক্করে এখন বাচ্চা নেই নি। এটাও ব্যপারনা, কিন্তু কলেজে কোনো কিছু হয়ে গেলে? আমাদে স্নিগ্ধা তো কম সুন্দর না। আবার আজকে কলেজে ভর্তি হয়ে চাচ্ছে কালকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতে চাইবে। তখন? নিল লেপ্টপ থেকে চোখ সরিয়ে মার দিকে তাকালো। নিল:উফফ, মা তুমি কি চাও বলোতো? (বিরক্তিকর কন্ঠে) নিলের না:আমি চাই ও তোর কাছে কলেজে ভর্তি হতে চাইলে তুই না করে দিবি। নিল:আচ্ছা, এখন দয়া করে আমার রুম থেকে যাবা আমি কাজ করছি।

রাতে স্নিগ্ধা যখন নিলের কাছে পারমিশন চাইলো,নিল মার কথা মতো না করে দিলো। স্নিগ্ধার সব খুশি মাটি হয়ে গেলো। স্নিগ্ধা:আমি শুধু পরিক্ষা দিবো,ক্লাস করবো না। প্লিয প্লিয নিল:একবার না বললাম, কথা কানে যায় নি? স্নিগ্ধা আম্মু-আব্বুও নিলের সাথে এই ব্যপারে কথা বললো,,কিন্তু কেউ নিলের না টাকে হ্যা তে পরিবর্ত করতে পারলো না। ৪ মাস পরে এখন আর স্নিগ্ধা বিছানায় হাত-পা ছটকায় না,,কেমন যানি সব সয়ে গেছে। নিজেকে এখন জলজান্ত লাশ মনে হয়।

কয়েক দিন যাবদ শরিলটাও ভালো না। ইদানিং স্নিগ্ধা নিলকে কার সাথে যেনো ফোনে হেসে হেসে কথা বলতে দেখে,কিন্তু কে তা জিজ্ঞেসা করার সাহস হয়ে উঠে না। নিল:ওকে বেবি আমি তোমাকে পিক করবো। পারফেক্ট। স্নিগ্ধা অনেক সাহস জোগার করে জিজ্ঞেসা করলো,, স্নিগ্ধা:কে ছিলো? নিল:আমার গার্লফ্রেন্ড।কোনো সমস্যা? স্নিগ্ধা:আপনার লজ্জা লাগে না বাসায় বউ থাকতে বাইরে মেয়েদের সাথে কথা বলতে. নিল:এখানে লজ্জা পাওয়ার কি আছে? অদের সাথে কথা না বললে কি তোমার মতো আনস্মার্ট, মুর্খ মেয়ের সাথে বলবো।

আর তোমাকে বউ হিসেবে তো সব দিচ্ছি ,খাওয়ানো, পরানো(জামা-কাপর),বিলাস বুহুল জীবন। তুমি শুধু আমার মার সেবা করবা। That’s it. স্নিগ্ধা:আর রাতে আপনার সাথে শুবো।তাই না? নিল:আমার বিছানায় আসার জন্য আনেক মেয়েরা সুজুক খুজে। আর এটা তোমার সৌভাগ্য যে আমার মা তোমাকে পছন্দ করেছে, নয়তো তোমার মত মেয়ের দিকে নিল চৌধুরি তাকায় পর্যন্ত না। স্নিগ্ধা:যারা আপনার বিছানায় আসতে চায় তারা হয় আপনার মতো চরিত্র হিন, আপনি তাদের কাছে কি তা আমার জানা নেই, কিন্তু আমার কাছে আপনি কোনো হিংস্র প্রানি থেকে কম না। নিল স্নিগ্ধার কাছে এসে ওর এক হাত মছকে, নিল:কি বললি তুই?আনেক দিন ডোয দেওয়া হয় না,তাই বলে এতো সাহস বেরেছে। তাই না? স্নিগ্ধা:সত্যি কথা অনেক গায়ে লাগছে।

তাই না? নিল স্নিগ্ধাকে এমন জরে এক চর দিলো যে স্নিগ্ধা ব্যলেন্স হারিয়ে পড়ে যায়। আর নিল নিজে বেল্ট খুলে স্নিগ্ধার পিঠে ইচ্ছা মতো আঘাত করতে থাকে। স্নিগ্ধা:এক কাজ করে প্রতি দিন আমার কে তিলে তিলে শেষ না করে একবারে মেরে ফেলেন। আমার আর সহ্য হচ্ছে না। এক পর্যায় স্নিগ্ধার সেন্স লেস হয়ে যায়। স্নিগ্ধা আম্মু -আব্বু এসে ওকে নিয়ে যায়।

ওর আম্মু আব্বু স্নিগ্ধার সাথে চোখ মিলাতে পারছে না। ওই নরপশুটা মেয়েটার কি হাল করেছে। পিঠের ইক্টু অংশেও ব্লেন্টের দাগ ফেলতে বাকি রাখেনি। স্নিগ্ধার মনে হচ্ছে ও এখন আজাদ। কেয়াদি জেলখানা থেকে বের হলে যেমন লাগে স্নিগ্ধার ওই রকম লাগছে। কিচ্ছুদিনের মধ্যে ও এই মিথ্যা বন্ধন থেকেও বের হয়ে আসবে। ভাবতেই স্নিগ্ধার কতো খুশি লাগছে। কিন্তু কিছু দিন যাবদ স্নিগ্ধার খুব বমি হচ্ছে,মাথা খুরানো টা তো বেরে গিয়েছে। তার মানে কি স্নিগ্ধা? সালেহা বেগম শিয়োর হওয়ার জন্য স্নিগ্ধাকে ডক্টরের কাছে নিয়ে গেলো, স্নিগ্ধার যা ভয় ছিলো তাই, হ্যা স্নিগ্ধার ভিতরে একটা অস্তিত্ব বেরে উঠছে।

কথাটা শুনে স্নিগ্ধা থোমকে গেলো। আম্মু(সালেহা বেগম):তুমি কোনো টেনশন নিওনা। যখন এই সম্পর্ক টাই থাকবে না, তো এই নরপশুর অস্তিত্ব নিজের মধ্যে রাখার কোনো মানে হয় না। আমি ডক্টরের সাথে কথা বলছি। স্নিগ্ধা:আম্মু বাচ্চাটা শুধু নিলের না,বাচ্চাটা আমারো। আর নিলের শাস্তি টা কি এই নিষ্পাপ শিশুটা কে দেওয়া টিক হবে? আম্মু:বোকার মতো কথা বলিসনা স্নিগ্ধা।তোর পুরা লাইফ পরে আছে।

জীবন টাকে এই ভেবে নষ্ট করে দিবি? স্নিগ্ধা:আমার জীবন টা তো তুমি, আব্বু আর নিল মিলে নষ্ট করেছো।যার শাস্তি আমি আমার বাচ্চাকে দিবো না ব্যস। আম্মু: তুই জানিস নিলের জন্য এই বাচ্চাটা শুধু মাত্র ওর পুরুষত্বের সার্টিফিকেট। স্নিগ্ধা:আমি যানি। কিন্তু তুমি বুঝতে চাছোনা কেনো আম্মু আমার কষ্ট বুঝার জন্য,আমার জল ভরা চোখ মুছে দেওয়ার জন্য আল্লাহ কাউকে এই দুনিয়াতে পাঠাছেন। চলবে। আসোলে স্নিগ্ধার কি করা উচিত? ওকি কোনো ভুল করছে?মতামত জানান।

খবরটি শেয়ার করুন....
© All rights reserved  2022 DesherGarjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar