মানিকগঞ্জে সরকারি হাসপাতালে ডিউটি ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেটে ব্যস্ত ডাক্তার এমদাদুল হক সোনারগাঁয়ে জালিয়াতির মামলায় মোঃ মজিবুর রহমান গ্রেফতার রূপগঞ্জে অবৈধ গ্যাসলাইন বিস্ফোরনে জ্বলসে গেলো ভাড়াটিয়া আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তেল সংকট কেটে যাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ফুলপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাসের এক হেলপার নিহত, আহত শিশু সহ বেশকিছু যাত্রী সোনারগাঁয়ে আরমান হত্যার সাত বছর পেরিয়েও বিচার না পেয়ে সংবাদ সম্মেলন বড়াইগ্রামের পদ্মবিলের সৌন্দর্য নষ্ট করে চলছে পুকুর খনন আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির ভূমিকা থাকবে গুরুত্বপূর্ণ: লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি  দেবরকে গলা টিপেই মে’রে ফেললেন ভাবি! ফুলপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আওয়ামীলীগ নেতা নিহত

সাটুরিয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে

সাটুরিয়া প্রতিনিধি: সাটুরিয়া উপজেলার রাইল্যা দক্ষিণ কুষ্টিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। আদালত সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুল বারেক (বারী মাস্টার) সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের রাজৈর গ্রামের মৃত মুন্নাফ মিয়ার ছেলে। শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা গৃহবধু বাবার বাড়িও রাজৈর গ্রামে। তিনি বর্তমানে সেখানে থাকেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মানিকগঞ্জ আদালতে এ মামলাটি করা হয়েছে যার পিটিশন নং ৭১/২০২২।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধু একজন স্বামী পরিত্যক্তা মহিলা। পিতার বাড়িতে থাকা অসহায় জীবন যাপন করছেন। অভিযুক্ত বারী মাস্টার গ্রামের বাসিন্দা এই সুযোগে যাওয়া আসার পথে মহিলাকে বিভিন্ন সময় বিয়ের প্রলোভন দেন। এছাড়াও রাস্তা-ঘাটে যেখানে-সেখানে কুপ্রস্তাব দিতেন।

গৃহবধূ এতে রাজি না হওয়ায় ঘটনার দিন রাতে আসামি গৃহবধূর বাবার ঘরের দরজার খিল ভেঙে প্রবেশ করেন। এবং গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় গৃহবধূর চিৎকারে এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে বেঁধে রাখেন। পরে তার লোকজন জোর করে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

ওই গৃহবধূ জানায়, বারী মাস্টার তাকে বিভিন্ন সময় যেখানে সেখানে কুপ্রস্তাব দিতো। ঘটনার দিন রাতে তার ঘরে প্রবেশ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করেন। এ সময় স্থানীয় জনতা বারী মাস্টারকে আটক করে বেধে রাখেন। অভিযুক্ত শিক্ষকের উপযুক্ত সাজা দাবি জানান তিনি।

সাটুরিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, মামলার হওয়ার বিষয়টি তার জানা ছিল না। ইতিপূর্বেও এ শিক্ষককে স্কুল ফাঁকির অভিযোগে শোকজ করা হয়েছে। তবে ঘটনার সত্যতা থাকলে স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে বরখাস্তও করা হবে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাটুরিয়া থানার এসআই মোক্তার জানায়, প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত চলছে, তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আশরাফুল আলম জানায়, গৃহবধূকে ধর্ষণের মামলার আলামত পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ওই গৃহবধূর বাড়িতে আটক হওয়ার কথা স্বীকার করলেও ধর্ষণের ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন।

খবরটি শেয়ার করুন....
© All rights reserved  2022 DesherGarjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar